সাম্প্রতিক বিশ্ব বৈষম্য প্রতিবেদন অনুসারে ভারত বিশ্বের অন্যতম অসম দেশ। ভারত শীর্ষ 10 শতাংশ দেশের সম্পদের 64.6 শতাংশের মালিক, যা অগের 63.9 শতাংশ থেকে বেড়েছে৷ নীচের 50 শতাংশের শেয়ার এখন মাত্ৰ 5.9 শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগে 6 শতাংশ ছিল। অন্যদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখার দেশ। এদেশের সরকার শিক্ষা স্বাস্থ খাতে অনেক পরিবর্তন আনতে বিভিন্ন কর্ম পন্থা গ্রহণ করেছেন। তা সত্ত্বেও শিশুমৃত্যুর হার ,অপুষ্টির হারে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
আমার মনে হয় শিক্ষার অভাব এর জন্যে দায়ী ,তাই একটা বেশীরভাগ মানুষ নিজের এবং তার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন নয়। তারা অসুস্থ হলে এখনও ডাক্তার না দেখিযে ওঁঝা বোদ্ধি করে ,অনেকে কোনো কিছুই করেনা। ডাক্তার দেখালে ওষুধ খেতে হবে বা ইনজেকশন নিতে হবে ,তার জন্যে পয়সা খরজ হবে এবং দূরে যেতে হবে , ইনজেকশন নেয়ার ভয় ইত্যাদি কারণে তারা কোনো হেলথ কেয়ার সিস্টেম এর সাহায্য নেয় না।
দেশ একদিকে যেমন আর্থিক ভাবে দুর্বল হচ্ছে অন্যদিকে দেশের মানুষের একটা বারো অংশ ও দুর্বল হচ্ছে।
আর এর সাথে রয়েছে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ।
তাই এমন পরিস্থিতিতে সরকার একা কিছু করতে পারবেনা ,তাই আমাদের সবাইকে সজাগ হতে হবে ,প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে এই মহৎ কাজে যোগ দিতে হবে। তবেই এই অন্ধকার থেকে মুক্তির রাস্তা পাওয়া যাবে।
0 মন্তব্যসমূহ